নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
রাজশাহীর বাঘায় অপহৃত স্কুল ছাত্রী সালমা খাতুনকে ঢাকা গাজীপুর এলাকা থেকে উদ্ধার সহ অপহরণকারী সবুজ আলীকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার (১৩/০৩/২০২০) রাত সাড়ে ৯ টার দিকে অপহৃত ছাত্রীকে উদ্ধার এবং অপহরনকারীকে আটক করে বাঘা থানা পুলিশ । ইহাছাড়াও বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্টভূক্ত ৮ জন আসামীকে আটক করেছে পুলিশ।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বাঘা উপজেলা কেশবপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া স্কুল ছাত্রী সালমা খাতুনকে ৮ মার্চ সকাল ৯ টার সময় স্কুলে আসার পথে পাকুড়িয়া গ্রামের ময়েনের মোড় থেকে একই গ্রামের জিন্দার আলীর ছেলে সবুজ আলীসহ তার চার বন্ধু পথরোধ করে একটি মাইক্রোবাসে করে তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ছাত্রীর বাবা ১৩ মার্চ বাদি হয়ে বাঘা থানায় একটি মামলা দায়ের করে। এ মামলায় বাঘা থানার এসআই আশরাফ আলী গোপন সংবাদের ভিক্তিতে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঢাকা-গাজীপুর এলাকা থেকে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে এবং অপহরণকারীকে আটক করে শনিবার সকালে বাঘা থানায় নিয়ে আসে।
বাঘা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, অপহৃতাকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে এবং অপহরনকারীকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
এদিকে মাদকসহ বিভিন্ন মামলার ওয়ান্টেভূক্ত ৮ জন আসামীকে শুক্রবার রাতে বাঘা থানার পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে আটক করেন। আটককৃতরা হলো উপজেলার নুরনগর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে মুরাদ হোসেন, নাটোর সদর উপজেলার লক্ষীপুর গ্রামের নফেল আলীর ছেলে রবিউল ইসলাম, বাঘা উপজেলার তেথুলিয়া মাউদপাড়া গ্রামের মশিউর রহমানের ছেলে খালেদ মোশারফ, বাউসা গ্রামের মৃত নায়েব আলীর ছেলে তোতা মিঞা, গাওপাড়া গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে শাহিন আলী ও জুয়েল আলী, ফতেপুর বাউসা গ্রামের মুজিবুর রহমানের ছেলে আলমগীর হোসেন ও হেলালপুর গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে সুজন আলী।





