পান্না, রাজশাহী ব্যুরো :
রাজশাহী বিভাগে পেট্রল ও অকটেনের সরবরাহে ঘাটতি দেখা দেওয়ায় ফিলিং স্টেশনগুলোতে বাইকারদের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। চাহিদামতো তেল না পাওয়ার অভিযোগ করছেন চালকেরা। কোথাও কোথাও তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় কয়েকটি ফিলিং স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধও হয়ে গেছে। যেসব স্টেশনে তেল রয়েছে, সেগুলোতে সীমিত পরিমাণে তেল বিক্রি করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, রাজশাহী বিভাগের আট জেলায় মোট ২৭৯টি ফিলিং স্টেশন রয়েছে। গত তিন দিন ধরে এসব স্টেশনে পেট্রল ও অকটেন সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। ফলে হঠাৎ করেই তেল সংকট প্যকট আকার ধারণ করেছে।
তেলের সংকটের বিষয়টি বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই রাজশাহী নগরে স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ওই দিন মহানগরীর বেশিরভাগ ফিলিং স্টেশন বাইকারদের চাহিদামতো তেল দেওয়া বন্ধ করে দেয়। কোনো কোনো স্টেশনে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা এবং কোথাও ৫০০ টাকার বেশি তেল দেওয়া হয়নি।

শুক্রবারও (৬ মার্চ ২৬) সকালেও একই চিত্র দেখা গেছে। সকাল থেকেই নগরীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে বাইকারদের দীর্ঘ সারি লক্ষ্য করা যায়। তেল পাওয়ার আশায় অনেককেই একাধিক পাম্পে ঘুরতে দেখা গেছে।
রাজশাহীর মহানগরীর সাল বাগান এলাকার সেলিম হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার রাতে তিনি তিনটি ফিলিং স্টেশন ঘুরে মাত্র এক হাজার টাকার পেট্রল নিতে পেরেছেন। এর মধ্যে একটি স্টেশন থেকে ৫০০ টাকার এবং আরেকটি স্টেশন থেকে ৩০০ টাকার তেল পান। কোথাও চাহিদামতো তেল পাননি বলেও জানান তিনি।
রাজশাহীর মহানগরীর সাল বাগান এলাকার সেলিম হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার রাতে তিনি তিনটি ফিলিং স্টেশন ঘুরে মাত্র এক হাজার টাকার পেট্রল নিতে পেরেছেন। এর মধ্যে একটি স্টেশন থেকে ৫০০ টাকার এবং আরেকটি স্টেশন থেকে ৩০০ টাকার তেল পান। কোথাও চাহিদামতো তেল পাননি বলেও জানান তিনি।
শুক্রবার সকালে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) এলাকার নয়ান ফিলিং স্টেশনে কথা হয় বাইকার সবুজ আহমেদের সঙ্গে। তিনি বলেন, প্রতিদিনই তার বাইক ব্যবহার করতে হয়। তাই বিভিন্ন পাম্পে ঘুরে বাইকের ট্যাংকিতে তেল ভরার চেষ্টা করছেন।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের রাজশাহী বিভাগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান যুদ্ধের প্রভাবের কারণে তেল সরবরাহে সমস্যা দেখা দিয়েছে। গত তিন দিন ধরে ফিলিং স্টেশনগুলো চাহিদা অনুযায়ী তেল পাচ্ছে না। ফলে পাম্পগুলোও গ্রাহকদের চাহিদামতো তেল দিতে পারছে না। ইরান যুদ্ধ শুরুর পর পরই গ্রাহক পর্যায়েও তেল মজুদ করার কারণে এ সংকট দেখা দিয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের রাজশাহী বিভাগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান যুদ্ধের প্রভাবের কারণে তেল সরবরাহে সমস্যা দেখা দিয়েছে। গত তিন দিন ধরে ফিলিং স্টেশনগুলো চাহিদা অনুযায়ী তেল পাচ্ছে না। ফলে পাম্পগুলোও গ্রাহকদের চাহিদামতো তেল দিতে পারছে না। ইরান যুদ্ধ শুরুর পর পরই গ্রাহক পর্যায়েও তেল মজুদ করার কারণে এ সংকট দেখা দিয়েছে।
তিনি জানান, ইতোমধ্যে কয়েকটি ফিলিং স্টেশন তেল না থাকায় সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। যেসব স্টেশনে তেল রয়েছে, সেগুলোতেও সীমিত পরিমাণে বিক্রি করা হচ্ছে।
আব্দুল জলিল আরও বলেন, মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হওয়ায় তেল কেনার হিড়িক পড়েছে। কেউ নিয়মিত বাইক ব্যবহার না করলেও অতিরিক্ত তেল কিনে রাখার চেষ্টা করছেন। আবার যারা বেশি বাইক চালান তারা একাধিক পাম্পে ঘুরে ট্যাংকি ভরে বাড়িতে সংরক্ষণ করছেন। এতে সংকট আরও দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে। তবে পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না বলে জানান তিনি।











