পান্না, রাজশাহী ব্যুরো :
রাজশাহীর মোহনপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলমগীর হোসেন (৫৫) নামে এক ভ্যানচালককে ইট দিয়ে মেরে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব ও পুলিশ। ঘটনার মাত্র ৫ ঘণ্টার মধ্যে যৌথ অভিযান চালিয়ে ঘাতক মো. মজিবর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
র্যাব-৫ ও মোহনপুর থানা পুলিশ গতকাল শুক্রবার (১০ এপ্রিল ২৬) দুপুরে উপজেলার বেলগাছি পাঠক ক্লাব এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত মজিবর উপজেলার বেলগাছি পূর্বপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং মামলার ১ নম্বর আসামি।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র ও র্যাব জানায়, নিহত আলমগীর হোসেন পেশায় একজন ভ্যানচালক ছিলেন। গতকাল শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ভোরে তিনি ভ্যান নিয়ে কাজের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন। সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে আসামি মজিবর ও তার সহযোগীরা তানোরের কালিগঞ্জ হাট থেকে আলমগীরের ভ্যানে চড়ে মোহনপুরের বেলগাছি গ্রামে আসেন।
গন্তব্যে পৌঁছানোর পর আলমগীর আসামিদের ভ্যান থেকে নামতে বললে তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে মজিবর ও তার সহযোগীরা উত্তেজিত হয়ে ইট দিয়ে আলমগীরকে নির্মমভাবে পিটিয়ে জখম করে, তাকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্যকম্প্লে নিয়ে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করে। হত্যাকাণ্ডের পরপরই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং আসামিরা আত্মগোপনে চলে যায়। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র্যাব-৫ (সিপিএসসি) ও মোহনপুর থানা পুলিশ দ্রুত ছায়াতদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন প্রধান আসামি মজিবর বেলগাছি পাঠক ক্লাব এলাকায় লুকিয়ে আছেন। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের দিকে যৌথ আভিযানিক দল সেখানে অভিযান চালিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়।
“হত্যাকাণ্ডের খবর পাওয়ার পরপরই আমাদের আভিযানিক দল মাঠে নামে। প্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মাত্র ৫ ঘণ্টার ব্যবধানে আমরা প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
মোহনপুর থানা পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সংশ্লিষ্ট মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে। মামলার অন্যান্য সহযোগীদের ধরতেও পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।এলাকার পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে এবং নিহতের পরিবার এই হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার ও জড়িত সকলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছে।
র্যাব-৫ ও মোহনপুর থানা পুলিশ গতকাল শুক্রবার (১০ এপ্রিল ২৬) দুপুরে উপজেলার বেলগাছি পাঠক ক্লাব এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত মজিবর উপজেলার বেলগাছি পূর্বপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং মামলার ১ নম্বর আসামি।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র ও র্যাব জানায়, নিহত আলমগীর হোসেন পেশায় একজন ভ্যানচালক ছিলেন। গতকাল শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ভোরে তিনি ভ্যান নিয়ে কাজের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন। সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে আসামি মজিবর ও তার সহযোগীরা তানোরের কালিগঞ্জ হাট থেকে আলমগীরের ভ্যানে চড়ে মোহনপুরের বেলগাছি গ্রামে আসেন।
গন্তব্যে পৌঁছানোর পর আলমগীর আসামিদের ভ্যান থেকে নামতে বললে তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে মজিবর ও তার সহযোগীরা উত্তেজিত হয়ে ইট দিয়ে আলমগীরকে নির্মমভাবে পিটিয়ে জখম করে, তাকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্যকম্প্লে নিয়ে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করে। হত্যাকাণ্ডের পরপরই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং আসামিরা আত্মগোপনে চলে যায়। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র্যাব-৫ (সিপিএসসি) ও মোহনপুর থানা পুলিশ দ্রুত ছায়াতদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন প্রধান আসামি মজিবর বেলগাছি পাঠক ক্লাব এলাকায় লুকিয়ে আছেন। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের দিকে যৌথ আভিযানিক দল সেখানে অভিযান চালিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়।
“হত্যাকাণ্ডের খবর পাওয়ার পরপরই আমাদের আভিযানিক দল মাঠে নামে। প্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মাত্র ৫ ঘণ্টার ব্যবধানে আমরা প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
মোহনপুর থানা পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সংশ্লিষ্ট মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে। মামলার অন্যান্য সহযোগীদের ধরতেও পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।এলাকার পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে এবং নিহতের পরিবার এই হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার ও জড়িত সকলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছে।
